শুক্রবার, ২ মে, ২০১৪

Copy Pest





কেন মানুষদের *শুধু* জামাতে সালাত আদায়ের দিকে ডাকবো, কেন **পাশাপাশি* জালেম এর  জুলুম আর মুনকার অপসারণের হাদিস গুলো স্মরণ করিয়ে দিয়ে দারুল ইসলাম প্রতিষ্ঠার মতো ফরয হুকুমের দিকে ডাকবো না?!?! রাসুলুল্লাহ (সা) কি *শুধু* দাড়ি রেখেছিলেন নাকি উনি পাশাপাশি নিজের শরীরের রক্ত ঝরিয়েছিলেন তায়েফের ময়দানে ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য। মক্কী জীবনে যখন দাও'আহ করা ফরয হয়নি, তখন সাহাবারা নিজেদের জীবন পর্যন্ত দিয়ে দিয়েছিলেন আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার (তাওহীদুল ইবাদাহ) জন্য, আর বর্তমানে ফরয কে অবহেলা করে *শুধু* নফল হুকুমের জন্য আমরা ঘাম ঝরাতে রাজি।

ইমাম ইবনুল কায়্যিম আল জাওযিয়াহ () বলেছিলেনঃ

"শয়তান কিছু মানুষদের বিপথে নিয়ে গেছে তাদের চোখে কিছু নফল ইবাদত যেমন নফল সালাহ, সিয়ামকে সুন্দর বানিয়ে দেয়ার মাধ্যমে এবং একই সময় তাদের দ্বারা অবহেলিত করিয়ে নিচ্ছে 'আল-মারুফ' (সর্ব প্রকার ভাল কাজ) এর দিকে মানুষদের ডাকা এবং 'আল-মুনকার' (সর্ব প্রকার অন্যায়) এর মূলোপাটনের ফরয কাজসমূহকে, এই বিপথে এমন ভাবে নেয়া হচ্ছে যে তারা নিজেদের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছা পোষণ করেনা এই ফরয হুকুম পালনের। এইরুপ লোকদের ফুকাহারা বিবেচনা করে ধর্মের দাঁড়িপাল্লার একেবারে নীচে; কারন আমাদের ধর্মের মুল নির্যাস হল সেটাই করা যেটা আল্লাহ ফরয করে দিয়েছেন। যে ব্যক্তি তার এই ফরয হুকুম সমূহকে পালন করে না সে প্রকৃতপক্ষে যে পাপ কাজ করে তার চেয়েও খারাপ"

['লাম আল মুয়াক্কি'ইন



বর্তমানে মুসলিমরা চিন্তার দিক থেকে কতটা পতিত (declined) সেটা বোঝার একটা এঙ্গেল হল তারা সুন্নাত আমলকে ফরয পর্যায়ে নিয়ে গেছে আর অন্যদিকে খোদ ফরয আমলের ব্যাপারেই বেখেয়াল। তাই দাড়ি কেন এক মুঠো না সেটা অনেকের জন্য প্রকৃত মুসলিম হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি কিন্তু কেউ যদি *সুন্নত* দাড়ি রেখে মুনকার (অন্যায়) অপসারণের মতো **ফরয** হুকুম এর ব্যাপারে অবহেলা দেখায় তাহলে কিছু মুসলিমদের চোখে সেটাতে কোন সমস্যা নাই!!! সাইয়্যিদ কুতুব () কে পারলে কবর থেকে তুলে ওনারা জিজ্ঞাস করতেনঃ "ভাই, আপনি কেন ক্লিন শেভড ছিলেন", উনি যে ফরয হুকুম পালনের জন্য জান পর্যন্ত দিয়ে দিলেন সেটা ওনাদের জন্য মুখ্য না



"যে ব্যক্তি সঠিক পথ প্রকাশিত হওয়ার পরও রাসুলের বিরোধিতা করে এবং মুমিনদের পথ বাদ দিয়ে ভিন্ন পথ অনুসরণ করে,আমি তাকে সে পথেই ফিরাব যে,সে ফিরে যায়,আর তাকে জাহান্নামে দগ্ধ করব,কত মন্দই না সে আবাসস্থল"

(সূরাঃ আন-নিসা /১১৫)



পাগড়ী পরা কি সবার জন্যই সুন্নাত?

সম্পর্কে শরীআতের বিধান হলঃ
পাগড়ী ব্যবহার করা কারো জন্যই সুন্নত নয়। এটি দেশ অঞ্চল ভিত্তিক আদত বা অভ্যাস। রসূল (সাঃ) পাগড়ী পরেছিলেন কারণে যে, পাগড়ী পরিধান করা ছিল তাঁর সম্প্রদায়ের লোকদের অভ্যাসগত পোষাক। সে সময়ের আরব মুসলিম অমুসলিম সকলে পাগড়ী পরত। তিনি কখনও পাগড়ী (এমনকি টুপি) ব্যবহার করার নির্দেশও দেননি। পাগড়ী পরিধান করার ফাযীলত মর্মে কোন সহীহ্ হাদীসও বর্ণিত হয়নি।
***বিস্তারিত দ্রঃ জাল ঈফ হাদীস সিরিজঃ ১২৯, ১৫৯, ৩৯৫, ১২১৭, ১২৯৬, ২৩৪৭, ৩০৫২।
শায়খ উসায়মীন, শায়খ বিন বায এবং সঊদী আরবের সর্বোচ্চ ফাতাওয়া বোর্ড মর্মে ফাতওয়া দিয়েছেন যে, পাগড়ী ব্যবহার করা সুন্নত নয়।
As for wearing turbans, this is of the permissible things, and not a Sunnah as you think. It is more preferable to wear what your people wear on their heads like the Ghutrah, Shimagh and the like.
http://www.alifta.com/Fatawa/FatawaDetails.aspx?View=Page&PageID=9336&PageNo=1&BookID=7#P43
জ্ঞান গোপনকারী আলেম জাহান্নামী________ রাসুল (সাঃ) অহী মারফত জানতেন যে, একদল আলেমের জন্ম হবে যারা দ্বীনের ব্যাপারে যথেষ্ট জ্ঞান অর্জন করবে কিন্তু সে জ্ঞানকে দুনিয়াবী স্বার্থে ব্যবহার করবে, জেনে শুনে ইলম গোপন করবে, যালিম-কুফফার শাসকদের বিরুদ্ধে কথা বলবেনা। তাই তিনি আমাদেরকে এই সব দুনিয়ালোভী আলেমদের ব্যাপারে সতর্ক করে গেছেন।
রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃতিন শ্রেণীর মানুষকে সর্ব প্রথম জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তার মধ্যে:- প্রথম শ্রেণীটা হলঃ একদল জ্ঞাণী আলেম যারা দুনিয়াবী স্বার্থে ইলম গোপন করতো এবং যালিম শাসকদের বিরুদ্ধে কথা বলতো না।" (সংক্ষেপিত) ***জামে আত তিরমিযী।
________আলেম দুই শ্রেণীর________ রাসূল (সাঃ) আরও বলেছেনঃ "তোমরা আমাকে মন্দ জিনিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না বরং ভাল জিনিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো।তিনি এই কথা তিনবার বললেন। পরে বললেনঃ 'তোমরা জেনে রাখ সব খারাপের মাঝে সবচেয়ে বড় খারাপ হচ্ছে আলেমদের মাঝে যারা খারাপ তারা আর সব ভালোর মাঝে সবচেয়ে ভাল হলো আলেমদের মাঝে যারা ভালো তারা।" ***দারেমী, মিশকাত আল মাসাবীঃ পৃষ্ঠাঃ ৩৭।
________নিকৃষ্ট আলেম যারা________ রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ "আল্লাহ তাআ'লার নিকট সবচেয়ে নিকৃষ্ট আলেম তারা যারা সম সাময়িক শাসকগোষ্ঠীর(স্বৈরাচারী) দরবারে যাতায়াত করে।" ***ইবনে মাযাহ।
________কুরআনের লিখিত রূপটি ছাড়া কিছুই থাকবে না________ হযরত আলী (রাদিঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ ''আমি অচিরেই লোকদের উপর এমন একটি সময় আসার আশংকা করছি যখন কেবলমাত্র নাম ছাড়া ইসলামের আর কিছুই থাকবে না এবং কুরআনের লিখিত রূপটি ছাড়া তার বাস্তবায়ন থাকবে না। মসজিদগুলো চাকচিক্যে ভরপুর হলেও হিদায়াত থেকে বঞ্চিত হবে। সময়কার আলেমরা হবে আসমানের নিচে বিচরণকারী সর্ব নিকৃষ্ট জীব। তাদের থেকেই বিভিন্ন ফিনা ছড়াবে এবং তারা নিজেরাও সেই ফিনায় আবর্তিত হবে।''
***বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান। হাদিস সহীহ।
________কুরআন এবং সুন্নাহ' অর্জিত শিক্ষা ত্যাগকারী আলেম________ শায়খূল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহিঃ) বলেছেনঃযদি কোন শায়খ কুরআন এবং সুন্নাহ হতে অর্জিত শিক্ষা অনুযায়ী আমল ত্যাগ করে এবং এমন বিচারকের অনুসরণ করে যে আল্লাহ তা'আলা তাঁর রাসূলের শিক্ষা অনুযায়ী বিচার করেনা, তখন সে একজন ধর্মত্যাগী এবং কাফের হিসেবে বিবেচিত হবে, যে দুনিয়া আখিরাতে শাস্তি পাওয়ার উপযুক্ত।“ ***আল ফাতওয়া, ইবন তাইমিয়া, খন্ডঃ ৩৫, পৃষ্টাঃ ৩৭৩

 জ্বলছে আরাকান,থাইলান্ড ,ভিয়েতনাম ,কাশ্মীর ,আসাম প্রভূতি অঞ্চল। আহ! কি করুণ অস্তিত্ব সংকটের সম্মুখিন মুসলিম উম্মাহ ইহুদী-খৃষ্টান,মুশরিক (বৌদ্ধ ,হিন্দু)এবং তাদের তাবেদার ত্বাগুত শাসকগোষ্ঠী ;মুসলিম জাতির উপর দানবের ভূমিকায় অবর্তীণ হয়েছে। নারী-পুরুষ শিশুদের লোমহর্ষক ভাবে হত্যা ,ধর্ষণ ,গুম চরম নির্যাতননিস্পেষণের স্টীম রোলার চালাচ্ছে শত শত মসজিদ মাদরাসা ধ্বংস ,হাজার হাজার মুসলিমদের হত্যা, অসংখ্য মা-বোনদের ইজ্জত লুন্টন করছে তবুও কি আমাদের জেগে ওঠার সময় হয়নি

আবূ যার (রাযিঃ) বলেছেন, “আমি রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকটে একদিন উপস্থিত ছিলাম এবং আমি তাকে বলতে শুনেছি, ‘এমন কিছু রয়েছে যেটির ব্যাপারে আমি আমার উম্মাহ্‌-এর জন্য দাজ্জালের অপেক্ষাও অধিক ভয় করি।তখন আমি ভীত হয়ে পড়লাম, তাই আমি বললাম, ‘হে আল্লাহ্ রসূল রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটি কোন জিনি, যার ব্যাপারে আপনি আপনার উম্মাহ্‌-এর জন্য দাজ্জালের চাইতেও অধিক ভয় করেন?’ তিনি [রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] বললেন, ‘পথভ্রষ্টআলিম গণ।’”
-মুসনাদ আহমাদ, হাদীস নং. ২০৩৩৫

নবী রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
নিশ্চয়ই আমি আমার উম্মাহ্‌-এর জন্য কোন কিছুরই ভয় করি না, পথভ্রষ্টআলিমগণ ব্যতীত। এভাবে, যখন আমার উম্মাহ্‌-এর বিরুদ্ধে তলোয়ার উঠানো হবে, এটা তুলে নেওয়া হবে না বিচার দিবস পর্যন্ত।
-মুসনাদ আহমাদ, হাদীসঃ নং. ১৬৪৯৩, ২১৩৬০, ৩১৩৫৯, ২০৩৩৪, এবং, আদ্-দারিমী, হাদীস নং. ২১১ ২১৬, এবং সবগুলো সংগ্রহই যথার্থ/খাঁটি হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।

হযরত আবু উমামা বাহেলি (রাঃ) বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
ইসলামের কড়াগুলো একটি একটি করে ভেঙ্গে যাবে। একটি ভেঙ্গে যাওয়ার পর মানুষ তার পরেরটি আঁকড়ে ধরবে। তো সর্বপ্রথম যে কড়াটি ভাঙবে, সেটি হল ইসলামী শাসন। আর সর্বশেষটি হল নামাজ (সুআবুল ইমান খণ্ড , পৃষ্ঠা ২৩৬; আল মুজামুল কাবীর খণ্ড , পৃষ্ঠা ৯৮; মাওয়ারিদুয যামআন খণ্ড , পৃষ্ঠা ৮৭)
হে সম্মানিত আলেম-ওলামাবৃন্দ, আপনারা আজ জাতিকে পথ দেখান ! আপনাদের কিতাবগুলোর শিক্ষা শুধু মসজিদ বা মাদ্রাসার ভিতরে বন্ধ না রেখে প্রকাশ করুন।! সত্য তুলে ধরুন ! আল্লাহর কসম করে বলছি আলাহর কাছে আপনাদের জবাব দিতে হবে, সেটা অবশ্যই আপ্নারাই ভালো যানে

হে সম্মানিত আলেম-ওলামাবৃন্দকুরআন' যে আয়াত হাদিসগুলো আপনারা শিক্ষা দেন আজ জাতির এই ক্লান্তিলগ্নে আপনারা তার বাস্তবে প্রয়োগ করুন। আজই তো সেই সময় যেই সময়ের কথা আপনারা শিক্ষা দিতেন !

হে সম্মানিত আলেম-ওলামাবৃন্দ, আল্লাহকে ভয় করুন। কুফফার আমেরিকা বা তার পা চাটা গোলামদের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হন ! আজ যদি কাফেরদের ভই করে চুপ করে থাকেন , ইসলামের প্রতি আঘাত কে আপনারা চুপ করে সহ্য করেন, আমাদের সম্মানিত আলেম হাফেজদের রক্তের সাথে বেইমানী করেন তবে আল্লাহকে ভয় করুন

যে আমার মুসলিম ভাই বোনেরা, আপনারা জেগে উঠুন ! আর কতকাল না দেখার ভান করে চোখ বন্ধ করে বসে থাকবেন !!

হে আমার মুসলিম ভাই বোনেরা, আজ বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন মুসলিম দেশে মুরতাদ সরকার থাকার কারনে, সাধারন মুসলিমেরা মুরতাদ নাস্তিকদের কাছে অপদস্থ হচ্ছে। আল্লাহ্ রাসুল (সঃ) সম্পর্কে নানা অশালিন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে এবং কুটুক্তি করা হচ্ছে, যেগুলো এমনকি কাফেরাও করতে সাহস পায়না। তাই, আজ সময় এসেছে জেগে উঠার। নাস্তিক মুরতাদদের হাত থেকে ইসলাম তথা আল্লাহ্ তার রাসুল (সঃ) এর সম্মান বাঁচাতে আপনাদের এগিয়ে আসার আহবান করছি। মনে রাখবেন, নিন্দুকের নিন্দার চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অনেক বড়। আল্লাহ্আমাদেরকে খেলাফত প্রতিষ্টার জন্য একজন যোগ্য নাবিক হওয়ার তাওফিক দান করুন

 হযরত জাবির ইবনে সামুরা থেকে বর্ণিত,, আল্লাহর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,, "এই দ্বীন চিরকাল বিদ্যমান থাকবে | এর পক্ষে একদল মুসলমান কেয়ামত অবধি লড়াই অব্যাহত রাখবে" (সুনানে আবী দাউদ:খন্ড :পৃষ্ঠা ১৮;সহীহ মুসলিম:খন্ড :পৃষ্ঠা ১৫২৪)




"যে ব্যক্তি সঠিক পথ প্রকাশিত হওয়ার পরও রাসুলের বিরোধিতা করে এবং মুমিনদের পথ বাদ দিয়ে ভিন্ন পথ অনুসরণ করে,আমি তাকে সে পথেই ফিরাব যে,সে ফিরে যায়,আর তাকে জাহান্নামে দগ্ধ করব,কত মন্দই না সে আবাসস্থল" (সূরাঃ আন-নিসা /১১৫)










ইবনে তাইমিয়া (রঃ) বলেছেন,"যে কোন যুগে তুমি যদি সঠিক ইসলামপন্থী দলটি খুজে না পাও তাহলে চিহ্নিত ইসলাম বিদ্বেষী এবং ইসলামের শত্রুদের দিকে তাকাও, তারা কোন দলটির প্রতি সবচেয়ে বেশি ক্ষিপ্ত কারন সঠিক ইসলামি দল চিনতে মুসলমানেরা ভুল করলেও ইসলামের চিহ্নিত শত্রুরা কখনো ভুল করেনা "



যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং সে অনুযায়ী আমলকরে, তার ব্যাপারে আল্লাহ নিশ্চয়তা দিয়েছেনযে, সে দুনিয়ায় ভ্রষ্টহবে না এবং আখিরাতে দুর্ভা হতভাগাদের অন্তর্ভুক্ত হবে না। আল্লাহ বলেন, ‘‘সুতরাং যে আমার দেয়া হিদায়াতের পথ অনুসরণ করবে, সে পথভ্রষ্ট হবে না এবং দু: কষ্টে পতিত হবে না।’’(সূরা ত্বা-হা: ১২৩)

একটা Interesting Info:
.
রাসুল(সা) মারা যাওয়ার ৩ দিন ২ রাত পর তার লাশ দাফন করা হয়েছিল। লাশ দাফনের এই বিলম্ব সাহাবীরা(রা) অনিচ্ছাকৃত ভাবে করেনি বরং বুঝে শুনেই করেছিল রাসুল(সা) এর লাশ দাফনের চাইতে গুরুত্বপুর্ন আরেকটি কাজ সম্পন্ন করার সার্থে।
.
Interesting না??


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন