হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী হুজুরকে যদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আর উনার সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে যদি মন্ত্রী পরিষদের সদস্য বানানো হয়, তাহলে দেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করতে ভণ্ডের দল লাগবে না, হুজুরের দলই যথেষ্ট হবে।
কারন উনারা দাওয়াত খাওয়া আর মিলাদ পড়ানোর ইসলাম শিখেছে বটে,
তবে রাষ্ট্র পরিচালনার ইসলাম শিখেনি ।
হেফাযতে ইসলাম একটা মুনাফিকের দল : শফিউর রহমান ফারাবি
গত
বছর ২০১৩ সালের জানুয়ারী মাসে অর্থ্যাৎ আমি গ্রেফতার হবার আগের মাসে
রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বহু বিবাহ নিয়ে আমার একটা
লেখা মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকায় প্রকাশ
হয়েছিল। তো স্বাভাবিক ভাবেই মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকার সম্পাদক মাওলানা
মুনীর আহমেদের সাথে আমার অনেক আগে থেকেই যোগাযোগ ছিল তা আপনারা বুঝতে
পারছেন। শুধু মাওলানা মুনীর আহমেদ নয় আমাকে অনেক আগে থেকেই জামাত-ক্বওমী
লাইনের অনেকেই চিনে। আমি জেলে থাকা অবস্থায় মাওলানা মুনীর আহমেদ কে ২ টা
চিঠিও দিয়েছিলাম। সেই চিঠিতে আমি মাওলানা মুনীর আহমেদ কে অনুরোধ করেছিলাম
উনি যেন আমার মায়ের সাথে যোগাযোগ করে। চিঠিতে আমার বাসার মোবাইল নাম্বারও
মাওলানা মুনীর আহমেদ কে দিয়েছিলাম। কিন্তু হেফাযতে ইসলাম আমার মার সাথে
একটুও যোগাযোগ করেনি। জেল থেকে বের হবার পর আমি হাটহাজারি মাদ্রাসায় যেয়ে
মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকার সম্পাদক মাওলানা মুনীর আহমেদের সাথে দেখাও
করেছিলাম। আমার মামলার ব্যাপারে সব কথাই আমি তাদেরকে বলেছিলাম। কিন্তু এখন
পর্যন্ত হেফাযতে ইসলামের কোন নেতাই আমার এই খোজটাও নেয় নি যে আমার মামলা
কিভাবে চলছে। কিন্তু আমাকে হেফাযতে ইসলামের অনেক নেতাই চিনে। আসলে হেফাযতে
ইসলাম একটা মুনাফিকের দল সেটা আমি তখনই বুঝেছিলাম। মাওলানা মামুনুল হকের "
কারাগার থেকে বলছি " এই বইটা হয়ত আপনারা অনেকেই পড়েছেন। এই বইয়ে মাওলানা
মামুনুল হক আমার কথা বলেছেন। আমি কাশিমপুর কারাগারে ২ মাস মাওলানা মামুনুল
হকের সাথে একসাথে ছিলাম। তাই স্বাভাবিক ভাবেই অনেক ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল উনার
সাথে। আমার কাছ থেকে ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে থাবা বাবা/রাজীব হত্যাকান্ডে
অভিযুক্ত নর্থ সাউথের ৬ জন ছাত্র অনিক দ্বীপ রুম্মান নাফিস ইরাদ সাদমানদের
পরিবার মাওলানা মামুনুল হক ও মাওলানা মুনীর আহমেদের সাথে যোগাযোগ করেছিল।
কিন্তু হেফাযতে ইসলামের এইসব কেন্দ্রীয় নেতা দুরদুর করে নাফিসদের পরিবার কে
তাড়িয়ে দিয়েছিল। নাফিসদের দেশের বাড়ি হচ্ছে সন্দীপ। নাফিসদের এক আত্মীয়
হাটহাজারি মাদ্রাসায় যেয়ে আহমদ শফীর সাথে দেখা করে চেয়েছিল। কিন্তু আহমেদ
শফীর সুযোগ্য পুত্র আনাস মাদানী তখন বলেছে জঙ্গীদের জন্য আমরা কিছুই করতে
পারবো না। এরপরেও বিভিন্ন ভাবে নাফিসদের পরিবার আহমদ শফীর সাথে যোগাযোগ
করেছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত কারাগারে যেয়ে নাফিসদের সাথে হেফাযতে ইসলামের
কেউই দেখা করেনি। কিন্তু আহমদ শফী খুব ভাল করেই জানেন যে থাবা বাবা/রাজীব
হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত নর্থ সাউথের ৬ জন ছাত্র এখনও জেলে আছে এবং তাদের
পরিবার আমার সাথে সাক্ষাৎ করতে অনেক চেষ্টা করেছে কিন্তু আমি তাদের কে
সাক্ষাৎ দেই নাই। কিন্তু আমি আহমদ শফী শেখ হাসিনার সামরিক সচিবের সাথে দফায়
দফায় বৈঠক করেছি কারন শেখ হাসিনার সামরিক সচিব আমার জন্য টাকার বস্তা নিয়ে
এসেছিলেন। তো সাধে কি আমি আহমদ শফী কে ভন্ড বলি। আহমদ শফী ও উনার ছেলে
আনাস মাদানী এই ২ জনই হচ্ছে ভন্ড ও মুনাফিক। এই পিতা পুত্র হেফাযতে ইসলাম
কে ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে। এরা সব দোযখে যাবে। আর আহমদ শফীর
কখনোই সাধারন হেফাযত কর্মীদের প্রতি কোন ভালবাসা ছিল না। সাধরন হেফাযত
কর্মীদের প্রতি আহমেদ শফীর ভালবাসা থাকলে উনি কখনোই ৫ই মের রাতে ছোট ছোট
মাদ্রাসার ছাত্রদের কে শাপলা চত্ত্বরে থাকতে বলতেন না।
আহমদ শফী কি নবী রাসূল না সাহাবী যে তার সমালোচনা করা যাবে না ? ইসলামে
একমাত্র নবী, রাসূল আর সাহাবী ছাড়া আর কারো অন্ধ আনুগত্য করা যাবে না। আহমদ
শফী, আনাস মাদানী শেখ হাসিনার কাছ থেকে টাকা কামিয়ে ফূর্তি করতে পারবে আর
আমরা তা বললেই দোষ ! শুনতাছি আনাস মাদানী নাকি আরেকটা বিয়ে করেছে। আমার কথা
খুব স্পষ্ট। হেফাজতে ইসলাম থাবা বাবা/রাজীব হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত নর্থ
সাউথের ৬ জন ছাত্র অনিক দ্বীপ রুম্মান নাফিস ইরাদ সাদমান ও বুয়েটের দ্বীপ
হত্যা মামলার আসামী মেছবাহর মুক্তির জন্য একটা বিবৃতিও দেয় নাই, তাদের
পরিবারের সাথে দুর্ব্যবহার করেছে এমনকি আজ পর্যন্ত হেফাজতে ইসলামের কেউ
তাদের সাথে দেখাও করতে যায় নি তাই এই হেফাজতে ইসলামের কাছে ভাল কিছু আশা
করা ভুল। আমরা জেল খাটতে খাটতে শহীদ হয়ে গেলাম, নাফিসদের কে নর্থ সাউথ থেকে
বহিস্কার করে দিলে, মেছবাহ কে বুয়েট থেকে বহিস্কার করে দিলে কিন্তু
হেফাযতে ইসলামের কেউই আমাদের একটা খোজও নিল না। উল্টা নাফিসদের পরিবার আহমদ
শফীর সাথে দেখা করতে গেলে আহমদ শফী তাদের কে জঙ্গী বলে। ছি। আর হেফাযত
ইসলামের এইসব আন্দোলন টান্দোলন এগুলি হচ্ছে ফাও। এগুলি হেফাযত আগে করছে এবং
আর কখনই হেফাজতে ইসলাম নাস্তিকতা বিরোধী কোন আন্দোলন করবে না। আপনাদের হয়ত
মনে আছে যে ৫ই মের পর অনেকগুলি তারিখ দেবার পরেও হেফাজতে ইসলামের অনেক
পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি তথাকথিত আল্লামা শফির নির্দেশে স্থগিত হয়ে গেছে।
আহমদ শফী ও আনাস মাদানী পিতা পুত্র ২ জনই হেফাযত ইসলাম কে ব্যবহার করে পয়সা
কামাতে ব্যস্ত এখন। ঢাকার সব তরুন আলেমরা এখন আহমদ শফী কে ঘৃনা করে। আমার
সাথে অনেকেরই কথা হয়েছে। হেফাযতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে আহমদ শফী ও
উনার ছেলে আনাস মাদানীকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়ে এমন একজন আলেমকে
হেফাযতে ইসলামের প্রধান বানাতে হবে যার মাঝে কোন দুনিয়াবি লোভ লালসা নেই।
চট্রগ্রামের মুফতী ইযহার শেখ হাসিনার সাথে বনিবনা করেন নি তাই এখনও উনি জেল
থেকে বের হতে পারেন নি।
আর ইসলামে বড় আলেম বলতে কিছু নাই। আগেই বলেছি যে ইসলামে একমাত্র নবী, রাসূল আর সাহাবী ছাড়া আর কারো অন্ধ আনুগত্য করা যাবে না। নবী, রাসূল ও সাহাবীরা হচ্ছেন নিস্পাপ তাই উনাদের কোন ভুল নাই। যাই হোক কাউকে ছোট করার জন্য আমি এই status টা দেই নাই। আমি শুধু কিছু সত্য কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি। জেল জীবন খুব বেদনাদায়ক। যারা জেল খাটছেন, কোর্ট কাচারিতে দৌড়া দৌড়ি করেছেন তারা আমার এই status টার মর্মার্ বুঝতে পারবেন।
https://www.facebook.com/shafiur2012/posts/893234377370014
অবলোকন
টনি ব্লেয়ারের নতুন যুদ্ধ
মাসুম খলিলী
সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার বিশ্বকে এক নতুন যুদ্ধে নামার ডাক দিয়েছেন। তার এই নতুন যুদ্ধের ডাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। গত ২৩ এপ্রিল লন্ডনের ব্লুমবার্গ অফিসে এক বক্তৃতায় বিশ্বব্যাপী ইসলামিস্টদের দমনাভিযানে বিশ্ব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। টনি ব্লেয়ার বলেছেন, ইসলামিস্টরা হলো বিশ্বের স্থিতি ও অগ্রগতির পথে প্রধান চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য চীন ও রাশিয়াকে সাথে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও অন্য মুসলিম দেশগুলোর যেসব সরকার ইসলামিস্টদের ওপর দমনাভিযান চালাচ্ছে তাদের সমর্থন দিতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে। ব্লেয়ারের মতে, বিশ্বসঙ্কটের মূলে রয়েছে ইসলামের বৈপ্লবিক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। তার ভাষায়- .................
http://dailynayadiganta.com/details.php?nayadiganta=MzY5NTM%3D&s=Nw%3D%3D
আর ইসলামে বড় আলেম বলতে কিছু নাই। আগেই বলেছি যে ইসলামে একমাত্র নবী, রাসূল আর সাহাবী ছাড়া আর কারো অন্ধ আনুগত্য করা যাবে না। নবী, রাসূল ও সাহাবীরা হচ্ছেন নিস্পাপ তাই উনাদের কোন ভুল নাই। যাই হোক কাউকে ছোট করার জন্য আমি এই status টা দেই নাই। আমি শুধু কিছু সত্য কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি। জেল জীবন খুব বেদনাদায়ক। যারা জেল খাটছেন, কোর্ট কাচারিতে দৌড়া দৌড়ি করেছেন তারা আমার এই status টার মর্মার্ বুঝতে পারবেন।
https://www.facebook.com/shafiur2012/posts/893234377370014
অবলোকন
টনি ব্লেয়ারের নতুন যুদ্ধ
মাসুম খলিলী
সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার বিশ্বকে এক নতুন যুদ্ধে নামার ডাক দিয়েছেন। তার এই নতুন যুদ্ধের ডাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। গত ২৩ এপ্রিল লন্ডনের ব্লুমবার্গ অফিসে এক বক্তৃতায় বিশ্বব্যাপী ইসলামিস্টদের দমনাভিযানে বিশ্ব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। টনি ব্লেয়ার বলেছেন, ইসলামিস্টরা হলো বিশ্বের স্থিতি ও অগ্রগতির পথে প্রধান চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য চীন ও রাশিয়াকে সাথে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও অন্য মুসলিম দেশগুলোর যেসব সরকার ইসলামিস্টদের ওপর দমনাভিযান চালাচ্ছে তাদের সমর্থন দিতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে। ব্লেয়ারের মতে, বিশ্বসঙ্কটের মূলে রয়েছে ইসলামের বৈপ্লবিক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। তার ভাষায়- .................
http://dailynayadiganta.com/details.php?nayadiganta=MzY5NTM%3D&s=Nw%3D%3D
