শুক্রবার, ১৬ মে, ২০১৪

হেফাজতী হুজুরের তেলেসমাতি!

হেফাজতী হুজুরের তেলেসমাতি!!!

নুন (লবন) খাইলে গুন গাইতেই হবে। অপরের উপর নির্ভরশীল হয়ে কখনো ইসলামের হেফাজত করা যায় না এটা প্রমান হয়ে গেল। আহমেদ সফি সাহেব অবশেষে একথা স্বীকার করলেন। আওয়ামীলীগ ও তাদের ব্যবসায়ীরা তাদের অবৈধ টাকার একটা অংশ মাদ্রাসা-মসজিদে দান করে।এরপর তাঁরা মসজিদ-মাদ্রাসা কমিটির প্রধান হয়ে যায়। অপর দিকে মসজিদ মাদ্রাসার হুজুর-রা আওয়ামী নেতাদের কথায় মারহাবা মারহাবা করতে থাকেন।হুজুর-রা নেতাদের ভরসা দেন মসজিদ-মাদ্রাসায় দান করেল বেহেস্ত পাওয়া যাবে সাথে অনেক হুর পাওয়া যাবে শরাব পান করা যাবে। হুজুরদের কথা কি মিথ্যা হতে পারে? নেতারা তাদের কথায় অবৈধ টাকায় মসজিদ-মাদ্রাসা তৈরি করেন, টাইলস করে দেন, AC লাগিয়ে দেন। বিনিময়ে বেহেস্ত কিনে নেন। আকবার একটা বেহেস্ত কিনতে পারলেই হল। দুনিয়াতে যত পাপ-ই করা হোক না কেন, কোন সমসসা নাই। আর সমসসা থাকলেই বা কি হুজুর–তো আছেন-ই সাথে পীর বাবা-ও আছেন তারা সুপারিশ করবেন।
অপর দিকে হুজুর ও পীর বাবা-রা হাদিয়া-নজরানার টাকায় খেয়ে খেয়ে পেট মোটা করেন, চোখে সুরমা লাগান, দাড়িতে মাহেদি মাখেন, আঁতর-খুসবু মেখে বিবির কাছে যান। একাধিক বিবি রাখা তাদের জন্য বাপার-ই না। দেহে যে মরদমি শক্তি আছে তাতে একাধিক বিবি-তো লাগবেই। নেতাদের টাকায় চলা লিল্লাহ বডিং এ খেয়ে দেয়ে সেখানকার ছাত্রদের মন মানসিকতায়-ও প্রকৃত ইসলামের আলো পৌছায় না। তারা হাফিয হয়ে কুরআন মুখস্ত করে বটে কিন্তু কুরআনের অর্থ-মর্ম কিছুই বুঝে না। তাঁরা আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রজুক্তির কিছুই জানে না বুঝে না। তাই যখন বড় হয় এবং আয়-রোজগার করার সময় হয় তখন তাঁরা সরকারি বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ পায় না। বাপের কোন টাকা এবং নিজের কোন যোগ্যতা নাই যে ব্যবসা করবে। অবশ্য তাদের জন্য নেতারা একটি ব্যবস্থা করে রেখেছেন আর তা হল মিলাদ পড়া ও নেতাদের তোষামোদি করে মসজিদ মাদ্রাসা চালানো।
এসব করে সব কিছু হলেও কখনো ইসলামের হেফাজত হয় না বরং ইসলামের বিনাশ করা হয়, ইসলামকে ছোট করা হয়। এভাবে ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরা যায় না, ভাল কাজের আদেশ দেয়া ও মন্দ কাজের বাধা-নিষেধ করা যায় না। এভাবে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করা যায় না। ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে আগে নিজের পায়ে মেরুদণ্ড সোজা করে মাথা উঁচু করে দাড়াতে হবে।
ব্যাখ্যা করার কোন প্রয়োজন আছে কি...?
 

 


















হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী হুজুরকে যদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আর উনার সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে যদি মন্ত্রী পরিষদের সদস্য বানানো হয়, তাহলে দেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করতে ভণ্ডের দল লাগবে না, হুজুরের দলই যথেষ্ট হবে।

কারন উনারা দাওয়াত খাওয়া আর মিলাদ পড়ানোর ইসলাম শিখেছে বটে,
তবে রাষ্ট্র পরিচালনার ইসলাম শিখেনি ।




হেফাযতে ইসলাম একটা মুনাফিকের দল : শফিউর রহমান ফারাবি
গত বছর ২০১৩ সালের জানুয়ারী মাসে অর্থ্যাৎ আমি গ্রেফতার হবার আগের মাসে রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বহু বিবাহ নিয়ে আমার একটা লেখা মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছিল। তো স্বাভাবিক ভাবেই মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকার সম্পাদক মাওলানা মুনীর আহমেদের সাথে আমার অনেক আগে থেকেই যোগাযোগ ছিল তা আপনারা বুঝতে পারছেন। শুধু মাওলানা মুনীর আহমেদ নয় আমাকে অনেক আগে থেকেই জামাত-ক্বওমী লাইনের অনেকেই চিনে। আমি জেলে থাকা অবস্থায় মাওলানা মুনীর আহমেদ কে ২ টা চিঠিও দিয়েছিলাম। সেই চিঠিতে আমি মাওলানা মুনীর আহমেদ কে অনুরোধ করেছিলাম উনি যেন আমার মায়ের সাথে যোগাযোগ করে। চিঠিতে আমার বাসার মোবাইল নাম্বারও মাওলানা মুনীর আহমেদ কে দিয়েছিলাম। কিন্তু হেফাযতে ইসলাম আমার মার সাথে একটুও যোগাযোগ করেনি। জেল থেকে বের হবার পর আমি হাটহাজারি মাদ্রাসায় যেয়ে মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকার সম্পাদক মাওলানা মুনীর আহমেদের সাথে দেখাও করেছিলাম। আমার মামলার ব্যাপারে সব কথাই আমি তাদেরকে বলেছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত হেফাযতে ইসলামের কোন নেতাই আমার এই খোজটাও নেয় নি যে আমার মামলা কিভাবে চলছে। কিন্তু আমাকে হেফাযতে ইসলামের অনেক নেতাই চিনে। আসলে হেফাযতে ইসলাম একটা মুনাফিকের দল সেটা আমি তখনই বুঝেছিলাম। মাওলানা মামুনুল হকের " কারাগার থেকে বলছি " এই বইটা হয়ত আপনারা অনেকেই পড়েছেন। এই বইয়ে মাওলানা মামুনুল হক আমার কথা বলেছেন। আমি কাশিমপুর কারাগারে ২ মাস মাওলানা মামুনুল হকের সাথে একসাথে ছিলাম। তাই স্বাভাবিক ভাবেই অনেক ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল উনার সাথে। আমার কাছ থেকে ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে থাবা বাবা/রাজীব হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত নর্থ সাউথের ৬ জন ছাত্র অনিক দ্বীপ রুম্মান নাফিস ইরাদ সাদমানদের পরিবার মাওলানা মামুনুল হক ও মাওলানা মুনীর আহমেদের সাথে যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু হেফাযতে ইসলামের এইসব কেন্দ্রীয় নেতা দুরদুর করে নাফিসদের পরিবার কে তাড়িয়ে দিয়েছিল। নাফিসদের দেশের বাড়ি হচ্ছে সন্দীপ। নাফিসদের এক আত্মীয় হাটহাজারি মাদ্রাসায় যেয়ে আহমদ শফীর সাথে দেখা করে চেয়েছিল। কিন্তু আহমেদ শফীর সুযোগ্য পুত্র আনাস মাদানী তখন বলেছে জঙ্গীদের জন্য আমরা কিছুই করতে পারবো না। এরপরেও বিভিন্ন ভাবে নাফিসদের পরিবার আহমদ শফীর সাথে যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত কারাগারে যেয়ে নাফিসদের সাথে হেফাযতে ইসলামের কেউই দেখা করেনি। কিন্তু আহমদ শফী খুব ভাল করেই জানেন যে থাবা বাবা/রাজীব হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত নর্থ সাউথের ৬ জন ছাত্র এখনও জেলে আছে এবং তাদের পরিবার আমার সাথে সাক্ষাৎ করতে অনেক চেষ্টা করেছে কিন্তু আমি তাদের কে সাক্ষাৎ দেই নাই। কিন্তু আমি আহমদ শফী শেখ হাসিনার সামরিক সচিবের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেছি কারন শেখ হাসিনার সামরিক সচিব আমার জন্য টাকার বস্তা নিয়ে এসেছিলেন। তো সাধে কি আমি আহমদ শফী কে ভন্ড বলি। আহমদ শফী ও উনার ছেলে আনাস মাদানী এই ২ জনই হচ্ছে ভন্ড ও মুনাফিক। এই পিতা পুত্র হেফাযতে ইসলাম কে ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে। এরা সব দোযখে যাবে। আর আহমদ শফীর কখনোই সাধারন হেফাযত কর্মীদের প্রতি কোন ভালবাসা ছিল না। সাধরন হেফাযত কর্মীদের প্রতি আহমেদ শফীর ভালবাসা থাকলে উনি কখনোই ৫ই মের রাতে ছোট ছোট মাদ্রাসার ছাত্রদের কে শাপলা চত্ত্বরে থাকতে বলতেন না।
আহমদ শফী কি নবী রাসূল না সাহাবী যে তার সমালোচনা করা যাবে না ? ইসলামে একমাত্র নবী, রাসূল আর সাহাবী ছাড়া আর কারো অন্ধ আনুগত্য করা যাবে না। আহমদ শফী, আনাস মাদানী শেখ হাসিনার কাছ থেকে টাকা কামিয়ে ফূর্তি করতে পারবে আর আমরা তা বললেই দোষ ! শুনতাছি আনাস মাদানী নাকি আরেকটা বিয়ে করেছে। আমার কথা খুব স্পষ্ট। হেফাজতে ইসলাম থাবা বাবা/রাজীব হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত নর্থ সাউথের ৬ জন ছাত্র অনিক দ্বীপ রুম্মান নাফিস ইরাদ সাদমান ও বুয়েটের দ্বীপ হত্যা মামলার আসামী মেছবাহর মুক্তির জন্য একটা বিবৃতিও দেয় নাই, তাদের পরিবারের সাথে দুর্ব্যবহার করেছে এমনকি আজ পর্যন্ত হেফাজতে ইসলামের কেউ তাদের সাথে দেখাও করতে যায় নি তাই এই হেফাজতে ইসলামের কাছে ভাল কিছু আশা করা ভুল। আমরা জেল খাটতে খাটতে শহীদ হয়ে গেলাম, নাফিসদের কে নর্থ সাউথ থেকে বহিস্কার করে দিলে, মেছবাহ কে বুয়েট থেকে বহিস্কার করে দিলে কিন্তু হেফাযতে ইসলামের কেউই আমাদের একটা খোজও নিল না। উল্টা নাফিসদের পরিবার আহমদ শফীর সাথে দেখা করতে গেলে আহমদ শফী তাদের কে জঙ্গী বলে। ছি। আর হেফাযত ইসলামের এইসব আন্দোলন টান্দোলন এগুলি হচ্ছে ফাও। এগুলি হেফাযত আগে করছে এবং আর কখনই হেফাজতে ইসলাম নাস্তিকতা বিরোধী কোন আন্দোলন করবে না। আপনাদের হয়ত মনে আছে যে ৫ই মের পর অনেকগুলি তারিখ দেবার পরেও হেফাজতে ইসলামের অনেক পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি তথাকথিত আল্লামা শফির নির্দেশে স্থগিত হয়ে গেছে। আহমদ শফী ও আনাস মাদানী পিতা পুত্র ২ জনই হেফাযত ইসলাম কে ব্যবহার করে পয়সা কামাতে ব্যস্ত এখন। ঢাকার সব তরুন আলেমরা এখন আহমদ শফী কে ঘৃনা করে। আমার সাথে অনেকেরই কথা হয়েছে। হেফাযতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে আহমদ শফী ও উনার ছেলে আনাস মাদানীকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়ে এমন একজন আলেমকে হেফাযতে ইসলামের প্রধান বানাতে হবে যার মাঝে কোন দুনিয়াবি লোভ লালসা নেই। চট্রগ্রামের মুফতী ইযহার শেখ হাসিনার সাথে বনিবনা করেন নি তাই এখনও উনি জেল থেকে বের হতে পারেন নি।
আর ইসলামে বড় আলেম বলতে কিছু নাই। আগেই বলেছি যে ইসলামে একমাত্র নবী, রাসূল আর সাহাবী ছাড়া আর কারো অন্ধ আনুগত্য করা যাবে না। নবী, রাসূল ও সাহাবীরা হচ্ছেন নিস্পাপ তাই উনাদের কোন ভুল নাই। যাই হোক কাউকে ছোট করার জন্য আমি এই status টা দেই নাই। আমি শুধু কিছু সত্য কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি। জেল জীবন খুব বেদনাদায়ক। যারা জেল খাটছেন, কোর্ট কাচারিতে দৌড়া দৌড়ি করেছেন তারা আমার এই status টার মর্মার্ বুঝতে পারবেন।
 https://www.facebook.com/shafiur2012/posts/893234377370014

 অবলোকন
টনি ব্লেয়ারের নতুন যুদ্ধ


মাসুম খলিলী
সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার বিশ্বকে এক নতুন যুদ্ধে নামার ডাক দিয়েছেন। তার এই নতুন যুদ্ধের ডাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। গত ২৩ এপ্রিল লন্ডনের ব্লুমবার্গ অফিসে এক বক
্তৃতায় বিশ্বব্যাপী ইসলামিস্টদের দমনাভিযানে বিশ্ব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। টনি ব্লেয়ার বলেছেন, ইসলামিস্টরা হলো বিশ্বের স্থিতি ও অগ্রগতির পথে প্রধান চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য চীন ও রাশিয়াকে সাথে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও অন্য মুসলিম দেশগুলোর যেসব সরকার ইসলামিস্টদের ওপর দমনাভিযান চালাচ্ছে তাদের সমর্থন দিতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে। ব্লেয়ারের মতে, বিশ্বসঙ্কটের মূলে রয়েছে ইসলামের বৈপ্লবিক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। তার ভাষায়- .................
http://dailynayadiganta.com/details.php?nayadiganta=MzY5NTM%3D&s=Nw%3D%3D





শুক্রবার, ২ মে, ২০১৪

Copy Pest





কেন মানুষদের *শুধু* জামাতে সালাত আদায়ের দিকে ডাকবো, কেন **পাশাপাশি* জালেম এর  জুলুম আর মুনকার অপসারণের হাদিস গুলো স্মরণ করিয়ে দিয়ে দারুল ইসলাম প্রতিষ্ঠার মতো ফরয হুকুমের দিকে ডাকবো না?!?! রাসুলুল্লাহ (সা) কি *শুধু* দাড়ি রেখেছিলেন নাকি উনি পাশাপাশি নিজের শরীরের রক্ত ঝরিয়েছিলেন তায়েফের ময়দানে ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য। মক্কী জীবনে যখন দাও'আহ করা ফরয হয়নি, তখন সাহাবারা নিজেদের জীবন পর্যন্ত দিয়ে দিয়েছিলেন আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার (তাওহীদুল ইবাদাহ) জন্য, আর বর্তমানে ফরয কে অবহেলা করে *শুধু* নফল হুকুমের জন্য আমরা ঘাম ঝরাতে রাজি।

ইমাম ইবনুল কায়্যিম আল জাওযিয়াহ () বলেছিলেনঃ

"শয়তান কিছু মানুষদের বিপথে নিয়ে গেছে তাদের চোখে কিছু নফল ইবাদত যেমন নফল সালাহ, সিয়ামকে সুন্দর বানিয়ে দেয়ার মাধ্যমে এবং একই সময় তাদের দ্বারা অবহেলিত করিয়ে নিচ্ছে 'আল-মারুফ' (সর্ব প্রকার ভাল কাজ) এর দিকে মানুষদের ডাকা এবং 'আল-মুনকার' (সর্ব প্রকার অন্যায়) এর মূলোপাটনের ফরয কাজসমূহকে, এই বিপথে এমন ভাবে নেয়া হচ্ছে যে তারা নিজেদের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছা পোষণ করেনা এই ফরয হুকুম পালনের। এইরুপ লোকদের ফুকাহারা বিবেচনা করে ধর্মের দাঁড়িপাল্লার একেবারে নীচে; কারন আমাদের ধর্মের মুল নির্যাস হল সেটাই করা যেটা আল্লাহ ফরয করে দিয়েছেন। যে ব্যক্তি তার এই ফরয হুকুম সমূহকে পালন করে না সে প্রকৃতপক্ষে যে পাপ কাজ করে তার চেয়েও খারাপ"

['লাম আল মুয়াক্কি'ইন



বর্তমানে মুসলিমরা চিন্তার দিক থেকে কতটা পতিত (declined) সেটা বোঝার একটা এঙ্গেল হল তারা সুন্নাত আমলকে ফরয পর্যায়ে নিয়ে গেছে আর অন্যদিকে খোদ ফরয আমলের ব্যাপারেই বেখেয়াল। তাই দাড়ি কেন এক মুঠো না সেটা অনেকের জন্য প্রকৃত মুসলিম হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি কিন্তু কেউ যদি *সুন্নত* দাড়ি রেখে মুনকার (অন্যায়) অপসারণের মতো **ফরয** হুকুম এর ব্যাপারে অবহেলা দেখায় তাহলে কিছু মুসলিমদের চোখে সেটাতে কোন সমস্যা নাই!!! সাইয়্যিদ কুতুব () কে পারলে কবর থেকে তুলে ওনারা জিজ্ঞাস করতেনঃ "ভাই, আপনি কেন ক্লিন শেভড ছিলেন", উনি যে ফরয হুকুম পালনের জন্য জান পর্যন্ত দিয়ে দিলেন সেটা ওনাদের জন্য মুখ্য না



"যে ব্যক্তি সঠিক পথ প্রকাশিত হওয়ার পরও রাসুলের বিরোধিতা করে এবং মুমিনদের পথ বাদ দিয়ে ভিন্ন পথ অনুসরণ করে,আমি তাকে সে পথেই ফিরাব যে,সে ফিরে যায়,আর তাকে জাহান্নামে দগ্ধ করব,কত মন্দই না সে আবাসস্থল"

(সূরাঃ আন-নিসা /১১৫)



পাগড়ী পরা কি সবার জন্যই সুন্নাত?

সম্পর্কে শরীআতের বিধান হলঃ
পাগড়ী ব্যবহার করা কারো জন্যই সুন্নত নয়। এটি দেশ অঞ্চল ভিত্তিক আদত বা অভ্যাস। রসূল (সাঃ) পাগড়ী পরেছিলেন কারণে যে, পাগড়ী পরিধান করা ছিল তাঁর সম্প্রদায়ের লোকদের অভ্যাসগত পোষাক। সে সময়ের আরব মুসলিম অমুসলিম সকলে পাগড়ী পরত। তিনি কখনও পাগড়ী (এমনকি টুপি) ব্যবহার করার নির্দেশও দেননি। পাগড়ী পরিধান করার ফাযীলত মর্মে কোন সহীহ্ হাদীসও বর্ণিত হয়নি।
***বিস্তারিত দ্রঃ জাল ঈফ হাদীস সিরিজঃ ১২৯, ১৫৯, ৩৯৫, ১২১৭, ১২৯৬, ২৩৪৭, ৩০৫২।
শায়খ উসায়মীন, শায়খ বিন বায এবং সঊদী আরবের সর্বোচ্চ ফাতাওয়া বোর্ড মর্মে ফাতওয়া দিয়েছেন যে, পাগড়ী ব্যবহার করা সুন্নত নয়।
As for wearing turbans, this is of the permissible things, and not a Sunnah as you think. It is more preferable to wear what your people wear on their heads like the Ghutrah, Shimagh and the like.
http://www.alifta.com/Fatawa/FatawaDetails.aspx?View=Page&PageID=9336&PageNo=1&BookID=7#P43
জ্ঞান গোপনকারী আলেম জাহান্নামী________ রাসুল (সাঃ) অহী মারফত জানতেন যে, একদল আলেমের জন্ম হবে যারা দ্বীনের ব্যাপারে যথেষ্ট জ্ঞান অর্জন করবে কিন্তু সে জ্ঞানকে দুনিয়াবী স্বার্থে ব্যবহার করবে, জেনে শুনে ইলম গোপন করবে, যালিম-কুফফার শাসকদের বিরুদ্ধে কথা বলবেনা। তাই তিনি আমাদেরকে এই সব দুনিয়ালোভী আলেমদের ব্যাপারে সতর্ক করে গেছেন।
রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃতিন শ্রেণীর মানুষকে সর্ব প্রথম জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তার মধ্যে:- প্রথম শ্রেণীটা হলঃ একদল জ্ঞাণী আলেম যারা দুনিয়াবী স্বার্থে ইলম গোপন করতো এবং যালিম শাসকদের বিরুদ্ধে কথা বলতো না।" (সংক্ষেপিত) ***জামে আত তিরমিযী।
________আলেম দুই শ্রেণীর________ রাসূল (সাঃ) আরও বলেছেনঃ "তোমরা আমাকে মন্দ জিনিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না বরং ভাল জিনিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো।তিনি এই কথা তিনবার বললেন। পরে বললেনঃ 'তোমরা জেনে রাখ সব খারাপের মাঝে সবচেয়ে বড় খারাপ হচ্ছে আলেমদের মাঝে যারা খারাপ তারা আর সব ভালোর মাঝে সবচেয়ে ভাল হলো আলেমদের মাঝে যারা ভালো তারা।" ***দারেমী, মিশকাত আল মাসাবীঃ পৃষ্ঠাঃ ৩৭।
________নিকৃষ্ট আলেম যারা________ রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ "আল্লাহ তাআ'লার নিকট সবচেয়ে নিকৃষ্ট আলেম তারা যারা সম সাময়িক শাসকগোষ্ঠীর(স্বৈরাচারী) দরবারে যাতায়াত করে।" ***ইবনে মাযাহ।
________কুরআনের লিখিত রূপটি ছাড়া কিছুই থাকবে না________ হযরত আলী (রাদিঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ ''আমি অচিরেই লোকদের উপর এমন একটি সময় আসার আশংকা করছি যখন কেবলমাত্র নাম ছাড়া ইসলামের আর কিছুই থাকবে না এবং কুরআনের লিখিত রূপটি ছাড়া তার বাস্তবায়ন থাকবে না। মসজিদগুলো চাকচিক্যে ভরপুর হলেও হিদায়াত থেকে বঞ্চিত হবে। সময়কার আলেমরা হবে আসমানের নিচে বিচরণকারী সর্ব নিকৃষ্ট জীব। তাদের থেকেই বিভিন্ন ফিনা ছড়াবে এবং তারা নিজেরাও সেই ফিনায় আবর্তিত হবে।''
***বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান। হাদিস সহীহ।
________কুরআন এবং সুন্নাহ' অর্জিত শিক্ষা ত্যাগকারী আলেম________ শায়খূল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহিঃ) বলেছেনঃযদি কোন শায়খ কুরআন এবং সুন্নাহ হতে অর্জিত শিক্ষা অনুযায়ী আমল ত্যাগ করে এবং এমন বিচারকের অনুসরণ করে যে আল্লাহ তা'আলা তাঁর রাসূলের শিক্ষা অনুযায়ী বিচার করেনা, তখন সে একজন ধর্মত্যাগী এবং কাফের হিসেবে বিবেচিত হবে, যে দুনিয়া আখিরাতে শাস্তি পাওয়ার উপযুক্ত।“ ***আল ফাতওয়া, ইবন তাইমিয়া, খন্ডঃ ৩৫, পৃষ্টাঃ ৩৭৩

 জ্বলছে আরাকান,থাইলান্ড ,ভিয়েতনাম ,কাশ্মীর ,আসাম প্রভূতি অঞ্চল। আহ! কি করুণ অস্তিত্ব সংকটের সম্মুখিন মুসলিম উম্মাহ ইহুদী-খৃষ্টান,মুশরিক (বৌদ্ধ ,হিন্দু)এবং তাদের তাবেদার ত্বাগুত শাসকগোষ্ঠী ;মুসলিম জাতির উপর দানবের ভূমিকায় অবর্তীণ হয়েছে। নারী-পুরুষ শিশুদের লোমহর্ষক ভাবে হত্যা ,ধর্ষণ ,গুম চরম নির্যাতননিস্পেষণের স্টীম রোলার চালাচ্ছে শত শত মসজিদ মাদরাসা ধ্বংস ,হাজার হাজার মুসলিমদের হত্যা, অসংখ্য মা-বোনদের ইজ্জত লুন্টন করছে তবুও কি আমাদের জেগে ওঠার সময় হয়নি

আবূ যার (রাযিঃ) বলেছেন, “আমি রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকটে একদিন উপস্থিত ছিলাম এবং আমি তাকে বলতে শুনেছি, ‘এমন কিছু রয়েছে যেটির ব্যাপারে আমি আমার উম্মাহ্‌-এর জন্য দাজ্জালের অপেক্ষাও অধিক ভয় করি।তখন আমি ভীত হয়ে পড়লাম, তাই আমি বললাম, ‘হে আল্লাহ্ রসূল রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটি কোন জিনি, যার ব্যাপারে আপনি আপনার উম্মাহ্‌-এর জন্য দাজ্জালের চাইতেও অধিক ভয় করেন?’ তিনি [রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] বললেন, ‘পথভ্রষ্টআলিম গণ।’”
-মুসনাদ আহমাদ, হাদীস নং. ২০৩৩৫

নবী রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
নিশ্চয়ই আমি আমার উম্মাহ্‌-এর জন্য কোন কিছুরই ভয় করি না, পথভ্রষ্টআলিমগণ ব্যতীত। এভাবে, যখন আমার উম্মাহ্‌-এর বিরুদ্ধে তলোয়ার উঠানো হবে, এটা তুলে নেওয়া হবে না বিচার দিবস পর্যন্ত।
-মুসনাদ আহমাদ, হাদীসঃ নং. ১৬৪৯৩, ২১৩৬০, ৩১৩৫৯, ২০৩৩৪, এবং, আদ্-দারিমী, হাদীস নং. ২১১ ২১৬, এবং সবগুলো সংগ্রহই যথার্থ/খাঁটি হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।

হযরত আবু উমামা বাহেলি (রাঃ) বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
ইসলামের কড়াগুলো একটি একটি করে ভেঙ্গে যাবে। একটি ভেঙ্গে যাওয়ার পর মানুষ তার পরেরটি আঁকড়ে ধরবে। তো সর্বপ্রথম যে কড়াটি ভাঙবে, সেটি হল ইসলামী শাসন। আর সর্বশেষটি হল নামাজ (সুআবুল ইমান খণ্ড , পৃষ্ঠা ২৩৬; আল মুজামুল কাবীর খণ্ড , পৃষ্ঠা ৯৮; মাওয়ারিদুয যামআন খণ্ড , পৃষ্ঠা ৮৭)
হে সম্মানিত আলেম-ওলামাবৃন্দ, আপনারা আজ জাতিকে পথ দেখান ! আপনাদের কিতাবগুলোর শিক্ষা শুধু মসজিদ বা মাদ্রাসার ভিতরে বন্ধ না রেখে প্রকাশ করুন।! সত্য তুলে ধরুন ! আল্লাহর কসম করে বলছি আলাহর কাছে আপনাদের জবাব দিতে হবে, সেটা অবশ্যই আপ্নারাই ভালো যানে

হে সম্মানিত আলেম-ওলামাবৃন্দকুরআন' যে আয়াত হাদিসগুলো আপনারা শিক্ষা দেন আজ জাতির এই ক্লান্তিলগ্নে আপনারা তার বাস্তবে প্রয়োগ করুন। আজই তো সেই সময় যেই সময়ের কথা আপনারা শিক্ষা দিতেন !

হে সম্মানিত আলেম-ওলামাবৃন্দ, আল্লাহকে ভয় করুন। কুফফার আমেরিকা বা তার পা চাটা গোলামদের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হন ! আজ যদি কাফেরদের ভই করে চুপ করে থাকেন , ইসলামের প্রতি আঘাত কে আপনারা চুপ করে সহ্য করেন, আমাদের সম্মানিত আলেম হাফেজদের রক্তের সাথে বেইমানী করেন তবে আল্লাহকে ভয় করুন

যে আমার মুসলিম ভাই বোনেরা, আপনারা জেগে উঠুন ! আর কতকাল না দেখার ভান করে চোখ বন্ধ করে বসে থাকবেন !!

হে আমার মুসলিম ভাই বোনেরা, আজ বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন মুসলিম দেশে মুরতাদ সরকার থাকার কারনে, সাধারন মুসলিমেরা মুরতাদ নাস্তিকদের কাছে অপদস্থ হচ্ছে। আল্লাহ্ রাসুল (সঃ) সম্পর্কে নানা অশালিন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে এবং কুটুক্তি করা হচ্ছে, যেগুলো এমনকি কাফেরাও করতে সাহস পায়না। তাই, আজ সময় এসেছে জেগে উঠার। নাস্তিক মুরতাদদের হাত থেকে ইসলাম তথা আল্লাহ্ তার রাসুল (সঃ) এর সম্মান বাঁচাতে আপনাদের এগিয়ে আসার আহবান করছি। মনে রাখবেন, নিন্দুকের নিন্দার চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অনেক বড়। আল্লাহ্আমাদেরকে খেলাফত প্রতিষ্টার জন্য একজন যোগ্য নাবিক হওয়ার তাওফিক দান করুন

 হযরত জাবির ইবনে সামুরা থেকে বর্ণিত,, আল্লাহর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,, "এই দ্বীন চিরকাল বিদ্যমান থাকবে | এর পক্ষে একদল মুসলমান কেয়ামত অবধি লড়াই অব্যাহত রাখবে" (সুনানে আবী দাউদ:খন্ড :পৃষ্ঠা ১৮;সহীহ মুসলিম:খন্ড :পৃষ্ঠা ১৫২৪)




"যে ব্যক্তি সঠিক পথ প্রকাশিত হওয়ার পরও রাসুলের বিরোধিতা করে এবং মুমিনদের পথ বাদ দিয়ে ভিন্ন পথ অনুসরণ করে,আমি তাকে সে পথেই ফিরাব যে,সে ফিরে যায়,আর তাকে জাহান্নামে দগ্ধ করব,কত মন্দই না সে আবাসস্থল" (সূরাঃ আন-নিসা /১১৫)










ইবনে তাইমিয়া (রঃ) বলেছেন,"যে কোন যুগে তুমি যদি সঠিক ইসলামপন্থী দলটি খুজে না পাও তাহলে চিহ্নিত ইসলাম বিদ্বেষী এবং ইসলামের শত্রুদের দিকে তাকাও, তারা কোন দলটির প্রতি সবচেয়ে বেশি ক্ষিপ্ত কারন সঠিক ইসলামি দল চিনতে মুসলমানেরা ভুল করলেও ইসলামের চিহ্নিত শত্রুরা কখনো ভুল করেনা "



যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং সে অনুযায়ী আমলকরে, তার ব্যাপারে আল্লাহ নিশ্চয়তা দিয়েছেনযে, সে দুনিয়ায় ভ্রষ্টহবে না এবং আখিরাতে দুর্ভা হতভাগাদের অন্তর্ভুক্ত হবে না। আল্লাহ বলেন, ‘‘সুতরাং যে আমার দেয়া হিদায়াতের পথ অনুসরণ করবে, সে পথভ্রষ্ট হবে না এবং দু: কষ্টে পতিত হবে না।’’(সূরা ত্বা-হা: ১২৩)

একটা Interesting Info:
.
রাসুল(সা) মারা যাওয়ার ৩ দিন ২ রাত পর তার লাশ দাফন করা হয়েছিল। লাশ দাফনের এই বিলম্ব সাহাবীরা(রা) অনিচ্ছাকৃত ভাবে করেনি বরং বুঝে শুনেই করেছিল রাসুল(সা) এর লাশ দাফনের চাইতে গুরুত্বপুর্ন আরেকটি কাজ সম্পন্ন করার সার্থে।
.
Interesting না??