শুক্রবার, ১৬ মে, ২০১৪

হেফাজতী হুজুরের তেলেসমাতি!

হেফাজতী হুজুরের তেলেসমাতি!!!

নুন (লবন) খাইলে গুন গাইতেই হবে। অপরের উপর নির্ভরশীল হয়ে কখনো ইসলামের হেফাজত করা যায় না এটা প্রমান হয়ে গেল। আহমেদ সফি সাহেব অবশেষে একথা স্বীকার করলেন। আওয়ামীলীগ ও তাদের ব্যবসায়ীরা তাদের অবৈধ টাকার একটা অংশ মাদ্রাসা-মসজিদে দান করে।এরপর তাঁরা মসজিদ-মাদ্রাসা কমিটির প্রধান হয়ে যায়। অপর দিকে মসজিদ মাদ্রাসার হুজুর-রা আওয়ামী নেতাদের কথায় মারহাবা মারহাবা করতে থাকেন।হুজুর-রা নেতাদের ভরসা দেন মসজিদ-মাদ্রাসায় দান করেল বেহেস্ত পাওয়া যাবে সাথে অনেক হুর পাওয়া যাবে শরাব পান করা যাবে। হুজুরদের কথা কি মিথ্যা হতে পারে? নেতারা তাদের কথায় অবৈধ টাকায় মসজিদ-মাদ্রাসা তৈরি করেন, টাইলস করে দেন, AC লাগিয়ে দেন। বিনিময়ে বেহেস্ত কিনে নেন। আকবার একটা বেহেস্ত কিনতে পারলেই হল। দুনিয়াতে যত পাপ-ই করা হোক না কেন, কোন সমসসা নাই। আর সমসসা থাকলেই বা কি হুজুর–তো আছেন-ই সাথে পীর বাবা-ও আছেন তারা সুপারিশ করবেন।
অপর দিকে হুজুর ও পীর বাবা-রা হাদিয়া-নজরানার টাকায় খেয়ে খেয়ে পেট মোটা করেন, চোখে সুরমা লাগান, দাড়িতে মাহেদি মাখেন, আঁতর-খুসবু মেখে বিবির কাছে যান। একাধিক বিবি রাখা তাদের জন্য বাপার-ই না। দেহে যে মরদমি শক্তি আছে তাতে একাধিক বিবি-তো লাগবেই। নেতাদের টাকায় চলা লিল্লাহ বডিং এ খেয়ে দেয়ে সেখানকার ছাত্রদের মন মানসিকতায়-ও প্রকৃত ইসলামের আলো পৌছায় না। তারা হাফিয হয়ে কুরআন মুখস্ত করে বটে কিন্তু কুরআনের অর্থ-মর্ম কিছুই বুঝে না। তাঁরা আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রজুক্তির কিছুই জানে না বুঝে না। তাই যখন বড় হয় এবং আয়-রোজগার করার সময় হয় তখন তাঁরা সরকারি বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ পায় না। বাপের কোন টাকা এবং নিজের কোন যোগ্যতা নাই যে ব্যবসা করবে। অবশ্য তাদের জন্য নেতারা একটি ব্যবস্থা করে রেখেছেন আর তা হল মিলাদ পড়া ও নেতাদের তোষামোদি করে মসজিদ মাদ্রাসা চালানো।
এসব করে সব কিছু হলেও কখনো ইসলামের হেফাজত হয় না বরং ইসলামের বিনাশ করা হয়, ইসলামকে ছোট করা হয়। এভাবে ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরা যায় না, ভাল কাজের আদেশ দেয়া ও মন্দ কাজের বাধা-নিষেধ করা যায় না। এভাবে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করা যায় না। ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে আগে নিজের পায়ে মেরুদণ্ড সোজা করে মাথা উঁচু করে দাড়াতে হবে।
ব্যাখ্যা করার কোন প্রয়োজন আছে কি...?
 

 


















হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী হুজুরকে যদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আর উনার সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে যদি মন্ত্রী পরিষদের সদস্য বানানো হয়, তাহলে দেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করতে ভণ্ডের দল লাগবে না, হুজুরের দলই যথেষ্ট হবে।

কারন উনারা দাওয়াত খাওয়া আর মিলাদ পড়ানোর ইসলাম শিখেছে বটে,
তবে রাষ্ট্র পরিচালনার ইসলাম শিখেনি ।




হেফাযতে ইসলাম একটা মুনাফিকের দল : শফিউর রহমান ফারাবি
গত বছর ২০১৩ সালের জানুয়ারী মাসে অর্থ্যাৎ আমি গ্রেফতার হবার আগের মাসে রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বহু বিবাহ নিয়ে আমার একটা লেখা মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছিল। তো স্বাভাবিক ভাবেই মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকার সম্পাদক মাওলানা মুনীর আহমেদের সাথে আমার অনেক আগে থেকেই যোগাযোগ ছিল তা আপনারা বুঝতে পারছেন। শুধু মাওলানা মুনীর আহমেদ নয় আমাকে অনেক আগে থেকেই জামাত-ক্বওমী লাইনের অনেকেই চিনে। আমি জেলে থাকা অবস্থায় মাওলানা মুনীর আহমেদ কে ২ টা চিঠিও দিয়েছিলাম। সেই চিঠিতে আমি মাওলানা মুনীর আহমেদ কে অনুরোধ করেছিলাম উনি যেন আমার মায়ের সাথে যোগাযোগ করে। চিঠিতে আমার বাসার মোবাইল নাম্বারও মাওলানা মুনীর আহমেদ কে দিয়েছিলাম। কিন্তু হেফাযতে ইসলাম আমার মার সাথে একটুও যোগাযোগ করেনি। জেল থেকে বের হবার পর আমি হাটহাজারি মাদ্রাসায় যেয়ে মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকার সম্পাদক মাওলানা মুনীর আহমেদের সাথে দেখাও করেছিলাম। আমার মামলার ব্যাপারে সব কথাই আমি তাদেরকে বলেছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত হেফাযতে ইসলামের কোন নেতাই আমার এই খোজটাও নেয় নি যে আমার মামলা কিভাবে চলছে। কিন্তু আমাকে হেফাযতে ইসলামের অনেক নেতাই চিনে। আসলে হেফাযতে ইসলাম একটা মুনাফিকের দল সেটা আমি তখনই বুঝেছিলাম। মাওলানা মামুনুল হকের " কারাগার থেকে বলছি " এই বইটা হয়ত আপনারা অনেকেই পড়েছেন। এই বইয়ে মাওলানা মামুনুল হক আমার কথা বলেছেন। আমি কাশিমপুর কারাগারে ২ মাস মাওলানা মামুনুল হকের সাথে একসাথে ছিলাম। তাই স্বাভাবিক ভাবেই অনেক ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল উনার সাথে। আমার কাছ থেকে ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে থাবা বাবা/রাজীব হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত নর্থ সাউথের ৬ জন ছাত্র অনিক দ্বীপ রুম্মান নাফিস ইরাদ সাদমানদের পরিবার মাওলানা মামুনুল হক ও মাওলানা মুনীর আহমেদের সাথে যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু হেফাযতে ইসলামের এইসব কেন্দ্রীয় নেতা দুরদুর করে নাফিসদের পরিবার কে তাড়িয়ে দিয়েছিল। নাফিসদের দেশের বাড়ি হচ্ছে সন্দীপ। নাফিসদের এক আত্মীয় হাটহাজারি মাদ্রাসায় যেয়ে আহমদ শফীর সাথে দেখা করে চেয়েছিল। কিন্তু আহমেদ শফীর সুযোগ্য পুত্র আনাস মাদানী তখন বলেছে জঙ্গীদের জন্য আমরা কিছুই করতে পারবো না। এরপরেও বিভিন্ন ভাবে নাফিসদের পরিবার আহমদ শফীর সাথে যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত কারাগারে যেয়ে নাফিসদের সাথে হেফাযতে ইসলামের কেউই দেখা করেনি। কিন্তু আহমদ শফী খুব ভাল করেই জানেন যে থাবা বাবা/রাজীব হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত নর্থ সাউথের ৬ জন ছাত্র এখনও জেলে আছে এবং তাদের পরিবার আমার সাথে সাক্ষাৎ করতে অনেক চেষ্টা করেছে কিন্তু আমি তাদের কে সাক্ষাৎ দেই নাই। কিন্তু আমি আহমদ শফী শেখ হাসিনার সামরিক সচিবের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেছি কারন শেখ হাসিনার সামরিক সচিব আমার জন্য টাকার বস্তা নিয়ে এসেছিলেন। তো সাধে কি আমি আহমদ শফী কে ভন্ড বলি। আহমদ শফী ও উনার ছেলে আনাস মাদানী এই ২ জনই হচ্ছে ভন্ড ও মুনাফিক। এই পিতা পুত্র হেফাযতে ইসলাম কে ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে। এরা সব দোযখে যাবে। আর আহমদ শফীর কখনোই সাধারন হেফাযত কর্মীদের প্রতি কোন ভালবাসা ছিল না। সাধরন হেফাযত কর্মীদের প্রতি আহমেদ শফীর ভালবাসা থাকলে উনি কখনোই ৫ই মের রাতে ছোট ছোট মাদ্রাসার ছাত্রদের কে শাপলা চত্ত্বরে থাকতে বলতেন না।
আহমদ শফী কি নবী রাসূল না সাহাবী যে তার সমালোচনা করা যাবে না ? ইসলামে একমাত্র নবী, রাসূল আর সাহাবী ছাড়া আর কারো অন্ধ আনুগত্য করা যাবে না। আহমদ শফী, আনাস মাদানী শেখ হাসিনার কাছ থেকে টাকা কামিয়ে ফূর্তি করতে পারবে আর আমরা তা বললেই দোষ ! শুনতাছি আনাস মাদানী নাকি আরেকটা বিয়ে করেছে। আমার কথা খুব স্পষ্ট। হেফাজতে ইসলাম থাবা বাবা/রাজীব হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত নর্থ সাউথের ৬ জন ছাত্র অনিক দ্বীপ রুম্মান নাফিস ইরাদ সাদমান ও বুয়েটের দ্বীপ হত্যা মামলার আসামী মেছবাহর মুক্তির জন্য একটা বিবৃতিও দেয় নাই, তাদের পরিবারের সাথে দুর্ব্যবহার করেছে এমনকি আজ পর্যন্ত হেফাজতে ইসলামের কেউ তাদের সাথে দেখাও করতে যায় নি তাই এই হেফাজতে ইসলামের কাছে ভাল কিছু আশা করা ভুল। আমরা জেল খাটতে খাটতে শহীদ হয়ে গেলাম, নাফিসদের কে নর্থ সাউথ থেকে বহিস্কার করে দিলে, মেছবাহ কে বুয়েট থেকে বহিস্কার করে দিলে কিন্তু হেফাযতে ইসলামের কেউই আমাদের একটা খোজও নিল না। উল্টা নাফিসদের পরিবার আহমদ শফীর সাথে দেখা করতে গেলে আহমদ শফী তাদের কে জঙ্গী বলে। ছি। আর হেফাযত ইসলামের এইসব আন্দোলন টান্দোলন এগুলি হচ্ছে ফাও। এগুলি হেফাযত আগে করছে এবং আর কখনই হেফাজতে ইসলাম নাস্তিকতা বিরোধী কোন আন্দোলন করবে না। আপনাদের হয়ত মনে আছে যে ৫ই মের পর অনেকগুলি তারিখ দেবার পরেও হেফাজতে ইসলামের অনেক পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি তথাকথিত আল্লামা শফির নির্দেশে স্থগিত হয়ে গেছে। আহমদ শফী ও আনাস মাদানী পিতা পুত্র ২ জনই হেফাযত ইসলাম কে ব্যবহার করে পয়সা কামাতে ব্যস্ত এখন। ঢাকার সব তরুন আলেমরা এখন আহমদ শফী কে ঘৃনা করে। আমার সাথে অনেকেরই কথা হয়েছে। হেফাযতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে আহমদ শফী ও উনার ছেলে আনাস মাদানীকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়ে এমন একজন আলেমকে হেফাযতে ইসলামের প্রধান বানাতে হবে যার মাঝে কোন দুনিয়াবি লোভ লালসা নেই। চট্রগ্রামের মুফতী ইযহার শেখ হাসিনার সাথে বনিবনা করেন নি তাই এখনও উনি জেল থেকে বের হতে পারেন নি।
আর ইসলামে বড় আলেম বলতে কিছু নাই। আগেই বলেছি যে ইসলামে একমাত্র নবী, রাসূল আর সাহাবী ছাড়া আর কারো অন্ধ আনুগত্য করা যাবে না। নবী, রাসূল ও সাহাবীরা হচ্ছেন নিস্পাপ তাই উনাদের কোন ভুল নাই। যাই হোক কাউকে ছোট করার জন্য আমি এই status টা দেই নাই। আমি শুধু কিছু সত্য কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি। জেল জীবন খুব বেদনাদায়ক। যারা জেল খাটছেন, কোর্ট কাচারিতে দৌড়া দৌড়ি করেছেন তারা আমার এই status টার মর্মার্ বুঝতে পারবেন।
 https://www.facebook.com/shafiur2012/posts/893234377370014

 অবলোকন
টনি ব্লেয়ারের নতুন যুদ্ধ


মাসুম খলিলী
সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার বিশ্বকে এক নতুন যুদ্ধে নামার ডাক দিয়েছেন। তার এই নতুন যুদ্ধের ডাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। গত ২৩ এপ্রিল লন্ডনের ব্লুমবার্গ অফিসে এক বক
্তৃতায় বিশ্বব্যাপী ইসলামিস্টদের দমনাভিযানে বিশ্ব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। টনি ব্লেয়ার বলেছেন, ইসলামিস্টরা হলো বিশ্বের স্থিতি ও অগ্রগতির পথে প্রধান চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য চীন ও রাশিয়াকে সাথে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও অন্য মুসলিম দেশগুলোর যেসব সরকার ইসলামিস্টদের ওপর দমনাভিযান চালাচ্ছে তাদের সমর্থন দিতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে। ব্লেয়ারের মতে, বিশ্বসঙ্কটের মূলে রয়েছে ইসলামের বৈপ্লবিক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। তার ভাষায়- .................
http://dailynayadiganta.com/details.php?nayadiganta=MzY5NTM%3D&s=Nw%3D%3D





1 টি মন্তব্য:

  1. আমার বাসা মিরপুর কাজিপাডা থেকে ১০ এর দিকে যেতে। এখানে একটা মসজিদ আছে (মনিপুরের দিকে যেতে) এটাকে সবাই বাবা হুজুরেরে মসজিদ নামে চিনে। মসজিদটার খোলা মেলা পরিবেষ আমার খুব ভাল লাগে আর আমার বাসার কাছে তাই আমিও এখানে নামায পডী। কিন্তু এখানে বাবা হুযুর নামে এক পিরের মাজার আছে যা একদম মসজিদের সাথে লাগোয়া, এবং মসজীদের এক অংশে একটা বড মাদুর পাতা আছে মাজারের সাথে যেখানে মানুষ মাজারের দিকে পিরে নামায পডে আবার মসজিদের দিকে পিরেও নামায পডে। আমি প্রায় দেখি কেউ নামায শেষ করে আবার মাজারে সিজদা করে আবার কেউ সোজা এসেই মাজারের দিকে পিরে নামায পডে বা সিজদা করে। আমার খুব দুঃখ লাগে। চোখের সামনে এমন ভাবে মানুষ কে শিরক করতে দেখে- এই মসজিদের বর্তমান ইমামও একজন বেদাতি ইমাম। তিনি সুরা ফাতেহাটাও শুদ্দ করে পডতে পারেন না- বিশেষ করে "রা" এর "র" উচ্চারন "খা" এর খ উচ্চারন। আল্লাহ শব্দের আকারের উচ্চারন করেন, রব শব্দের রাব মানে রাব্বিল উচ্চারন করেন। তিনি মসজিদের নিয়মিত বিশেষ করে প্রতি শুকবারে নামাযের পর মিলাদ পডান।এবং মসজিদে মিলাদের পক্ষে জুমার খুতবা দেন। অথচ এখানে অনেক মুস্ললি হয় নামাজে। কেউই একটু প্রতিবাদ করে না-!!! এখানকার মুতয়াল্লি সাহেব খুব প্রভাব শালি মানুষ তার জন্য ঠিক ইমামের পিচনের জায়গায় একটা মাদুর সব সময় পাতা থাকে-!!উনি সবার পরে আসলেও তার জন্য নিরধারিত জায়গায় বসে নামায পাডেন। আর ইমাম সাহেব এত দ্রুত নামায পডান যে ৩য় ও ৪র্থ রাকাতে সুরা ফাতিহা পডে শেষ না করতেই তিনি রুকুতে চলে যান- কোন রকমে ৩ বার সুবাহানাল্ল রব্বিয়াল আজিম বলে আবার উঠে যান আবার সিজদা - এই ভাবে চলতেই থাকে- যা আল্লার রসুল (সঃ) নিষেদ করেছেন-আপনি যে ধীর সুস্থে নামায পডবেন এটা এখনে সম্ভব নয়। আমার মনে হয় উনি নামাজে দাডাইলে পেট কামডায় (বাথরুমে যাবে আর কি)- তাই এত দ্রুত নামায পডেন ও পডান। কিন্তু কেউ কিছুই বলেন না-
    শেষে একদিন ইমাম সাহেব কে সরাসরি বললাম। তিনি আমাকে বললেন,তার হানাফি মাজাহাবে ইমামের পিচনে ফাতেহা পডার নিয়ম নাই,আর যদি আমার ফাতেহা পডা শেষ নাও হয় ইমামের সাথে অর্ধেক ফাতেহা পডেই রুকুতে যেতে, কারন ইমাম কে মানা ফরজ।আমি বললাম আপনি ফাতেহা টা একটু আস্তে বা ধীরে পডলে তো মক্তাদিদের ও পডা শেষ হয়ে যায়, তিনি বললেন- সেটা আমার বেপার।আমি দ্রুত পডী আর ধীরে পডী, আপনার কথা শুনা আমার ইচ্ছা- বাধ্য না আমি। তারপর আরও অনেক কথা হল- তিনি সব কথায় ই বাঁকা উত্তর দিলেন। এবং এখনও আগের মত ই পডান।
    কি আর বলবো- কাকে বলব। এই ইমাম মসজিদ টাকে শীরক আর বেদাতের কারখানা বানাইয়া রাখচে- এতে তার ইমকামও ভাল।মাশাল্লাহ তার ভুডী টাও সেই রকম হইছে।আর মসজিদ কমিটির কথা নাই বা বললাম।
    আমার এই লিখাটা যদি এই মসজিদের কোন মুস্লল্লির চোখে পডে তবে আসুন আমরা সাবাই মিলে এই গুলাকে শুধরে দিই, আমি একা ২ দিন মুয়াজ্জিন সাহেব কে ডেকে বলেচি, দেখেচি তাতে কোন লাভ হয় নাই। সাবাই মিলে বা কয়েক জন মিলে বল্ললে হয়ত কাজ হবে। - আল্লাহ আমাদের সঠিক আমল করার তফিক দিন- আমিন

    উত্তরমুছুন